অন্নপ্রাশন অনুষ্ঠান । শিশুর শুভ অন্নপ্রাশনের বিধি ও অনুষ্ঠান পদ্ধতি


অন্নপ্রাশন

অন্নপ্রাশন হল হিন্দু সম্প্রদায়ের এক সামাজিক ও পারিবারিক সংস্কারমূলক অনুষ্ঠান। সামাজিক অন্যান্য ক্রিয়া কর্মের পবিত্র নিয়ম বিধির অন্যতম অনুষ্ঠান হচ্ছে অন্নপ্রাশন। অন্নপ্রাশন বা শিশুদের প্রথম ভাত খাওয়ানো বা ভোজনকে অন্নপ্রাশন বলা হয়। অন্নপ্রাশন  হিন্দুধর্মের এক সংস্কার বিশেষ অনুষ্ঠান পর্ব। ‘অন্ন’ শব্দের অর্থ ভাত বা খাবার এবং ‘প্রাশন’ এর অর্থ হল খাওয়া। তাই শিশুর প্রথম ভাত খাওয়া অনুষ্ঠানকেই অন্নপ্রাশন ধরা হয়।

প্রত্যেক পরিবারে শিশুর জন্মের পর এই অনুষ্ঠান আয়োজন করেন। তবে শিশু সন্তান ছেলে হলে ৬ মাস বা ৮ মাসে এবং মেয়ে হলে ৫মাস বা ৭ মাসের মধ্যে অন্নপ্রাশন অনুষ্ঠান পালন করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় পিতা মাতা ও পরিবার বর্গ ও আত্মীয়স্বজনের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠান পালন করা হয়।

এই উপলক্ষে আত্মীয়-স্বজনকে পত্রের মাধ্যমে নিমন্ত্রন করা হয়। নিমন্ত্রিত আত্মীয় পরিজনেরা শিশুদের আশীর্বাদ প্রদান ও সক্রিয় উপস্থিতিতে  উপহার সামগ্রীও প্রদান করেন। অন্নপ্রাশন পর্ব এইরূপ রীতি রেওয়াজ বহুকাল থেকে পরলক্ষিত হয়।

ঐ  অন্নপ্রাশনের দিনে শিশুর নামকরণও করা হয় যার পরম্পরা অনেক সামজে আজও দেখিতে পাওয়া যায়। ঐ দিন পরিবারের লোকজনরা কোন বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজনও করে থাকেন। সেই অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রিত আত্মীয়-স্বজনরা শিশুর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। অন্নপ্রাশন অনুষ্ঠান সামাজিক রীতি অনুসারে ঘরে করা হয়।

এছাড়া বিশেষ করে কোনো মন্দির অথবা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও করা যেতে পারে। এই অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ ধর্মীয় পরিবেশে আয়োজন করার ধর্মীয় রীতি থাকলেও আজকাল তাহা অনেকটা কমে এসেছে। কিন্তু সামাজিক ও পারিবারিক দৃষ্টিতে এর গুরুত্ব এখনও বিদ্যমান পরলক্ষিত হয়।

শিশুদের সধারণত ৬/৭ মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের দুধ খাওয়ানো হয় এবং এর পর থেকে শিশুদের ধীরে ধীরে শক্ত খাবার দেওয়া হয়। এই সময়টি মাতা পিতা ও পরিবারের বিশেষ সময় যাহা বাল্যকালের দিনগুলি স্মরণ করে রাখার  জন্য হিন্দু সমাজের পরম্পরাগত উৎসব মানা হয় যাহা অন্নপ্রাশণ নামক অনুষ্ঠান উদযাপন করা হয়।

অন্নপ্রাশন এর অর্থ ও প্রক্রিয়া সমুহঃ

শিশুর অন্নপ্রাশণ হল হিন্দুদের সমাজের বহু প্রচলিত এক জনপ্রিয় অনুষ্ঠান। অন্নপ্রাশণের অর্থ হল  শিশুর প্রথম ভাত বা অন্ন খাওয়ার প্রক্রিয়া আরম্ভ করা। মূল কথা বলতে হলে যা শিশুকে শুধুমাত্র তরল খাদ্য থেকে ধীরে ধীরে শক্ত খাবার দেওয়ার প্রচলন শুরু করা হয়।

এই অন্নপ্রাশণ অনুষ্ঠানটি সর্ব ভারতব্যাপী প্রচলিত এক প্রথা, যা আমাদের দেশের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে ইহাকে মুখে ভাত দেওয়া, কেরলা রাজ্যে চরু, হিমাচল প্রদেশ ও এছাড়া বিভিন্ন রাজ্যে পৃথক নামে পরিচিত। এই অন্নপ্রাশণ শুভানুষ্ঠানের পর থেকে শিশুদের দুধ খাওয়া ছাড়িয়ে কেবলমাত্র ভারী খাবার গ্রহণ করিতে অভ্যাস করানো হয়।

অন্নপ্রাশন অনুষ্ঠানটি কিভাবে প্রচলিত হয়?

এই অনুষ্ঠান বিশেষ করে শিশুর বৃদ্ধির পরবর্তী পর্যায়কে চিহ্নিত করে। আমরা যদি পৌরাণিক যুগের দিকে থাকাই তাহলে দেখা যায় যে, এই অনূষ্ঠানটি তখন থেকে সমগ্র দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে যেমন ইরান, আফগানিস্থান, পাকিস্থান, ভারত সহ পরবর্তী বাংলাদেশ।

এছাড়া রাশিয়া ও প্য্যারিসের মানুষেরাও পালন করিতেন। পারিবারিক ও সামাজিক সংস্কৃতি অনুযায়ী  মানুষের বাসস্থানের ও পরিবেশের উপর নির্ভর করে এই অনুষ্ঠানটি পালন করা হয়। শিশুর বয়স ভাড়ার সাথে সাথে এই অনুষ্ঠানটি করা হয়।

সামাজিক রীতি অনুযায়ী এক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই অনুষ্ঠান পালন করা হয় যেমন ৪ মাসের কম বয়স নয় আর ৬ মাসের ও বেশী বয়স নয় সেই দিকে লক্ষ্য রাখা হয়।

বিভিন্ন জায়গার পরম্পরা অনুযায়ী এই অনুষ্ঠনের নিয়ম ও আছে। সামাজিক রীতি অনুসারে প্রায় সকল সমাজে শিশুর পরিজনেরা এক বিশেষ দিনে সম্মিলিত হন ও সেখানে ভোজন ও অতিথি আপ্যায়নের ব্যবস্থা করে রাখা হয়।

কেহ বা নিজের বাড়িতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকেন আবার কেহ বড় বড় প্যান্ড্যাল বা অনুষ্ঠান ভবনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকেন। এই অনুষ্ঠানটির জন্য এক শুভ দিনক্ষণ  ঠিক করা হয় যেখানে পুরোহিতরা/পণ্ডিতের সক্রিয় উপস্থিতিতে  অন্নপ্রাশণের শুভারম্ভ করেন।

আজকাল অন্নপ্রাশণ অনুষ্ঠান গ্রামাঞ্চলে ও শহাঞ্চলে একই ভাবে পালন করা হয়। গ্রামের লোকরা নিজের বাড়িতে প্যান্ড্যাল ও নানা ধরনের সাজসজ্জা ও আলোকসজ্জার মাধ্যমে এই অনুস্থানটিকে ভাসিয়ে তুলেন। তদ্রুপ শহরাঞ্চলের মানুষরা তাদের নিজস্ব বিল্ডিং এর মধ্যে সজ্জিত করে অথবা শহরের বিভিন্ন ভবন প্রাঙ্গনে এই উৎসব অনুষ্ঠিত করেন।

আবার কেহ মঠ-মন্দিরে গিয়ে পূজা পার্বণের মাধ্যমে এই পর্ব সম্পাদন করেন। এখানে উপস্থিত কচিকাঁচাদের নিয়ে পরিবারবর্গরা অনেক আনন্দের সাথে অনুষ্ঠানের দিন উপভুগ করে থাকেন।

সেই দিনটি এক বিশেষ স্মরণীয় দিন হিসাবে খ্যাতি লাভ করে। এই  অনুস্থান্টিকে স্মরণীয় রাখার জন্য কেহ এই অনুষ্ঠানটি একদিনের পরিবর্তে দুদিন পর্যন্ত উদযাপন করে করেন। যেখানে ঐ অনুষ্ঠানের সূচি গুলো অনেক বেশী দীর্ঘ হয় ও অতিথি সমাগম বেশী হয়।

অন্নপ্রাশণ  পদ্ধতি কিভাবে করা হয়?

অন্নপ্রাশণ অনুষ্ঠানটি একমাত্র ঐ পরিবারের ছোট্ট শিশু যাকে নিয়ে এই আনন্দের ও উৎসাহের মধ্য দিয়ে বাচ্চার মুখে প্রথম খাবার দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। যেখানে শিশুর খুব কাছে প্রিয় সম্পর্কের ঘনিষ্ঠ পরিজন যেমন মামা, কাকা, দাদু উনাদের কোলে শিশুকে বসানো হয়।

শিশুর মুখে প্রথম ভাত বা শক্ত খাবার গ্রহণে উপস্থিত সকলে দেখার জন্য আগ্রহ করেন। এই এক পলক আনন্দের মুহুর্থ কি ছাড়া যায়।

ঐ সময় উপস্থিত নিমন্ত্রিত লোকজনেরা শিশুটিকে অনেক উপহার সামগ্রী প্রদান করেন যেমন জামাকাপড়, খেলনা ও শিশুর খাবারের থালা, গ্লাস ও অন্যান্য সামগ্রী প্রদান করেন।

এর পর শুরু হয় অন্নপ্রাশনের অন্যতম বিধি পালন করা হয় যেটি হল-  শিশুর সামনে একটি বড় থালা রাখা হয়, সেই থালায় ৬/৭ প্রকার সামগ্রী রাখা হয়। সেই থালাতে এক এক করে সাজিয়ে রাখা হয় মাটির খন্ড, বই, কলম, সোনার গয়না ও খাবার সামগ্রী।

এই অনুষ্ঠানে এভাবে সরঞ্জামগুলির সম্মুখে শিশুকে বসানো হয় এবং শিশুটি যে কোন একটি সামগ্রীকে স্পর্শ করে নিতে হয়। অবুঝ শিশুটি তার অজান্তে যে কোন একটিতে যদি হাত দিয়ে থাকে তার উপর কাল্পনিক ভিত্তি করে শিশুর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ বা ইঙ্গিত হয় বলে গুরুজনেরা মনে করেন।

দেখে নেই গুরুজনরা কি বলেন-

১/যদি শিশুটি বই/কিতাব চয়ন করে নেয় তাহলে সে উচ্চ শিক্ষিত হবে।

২/শিশু যদি সোনার গয়নাতে স্পর্শ করে তাহলে সে ধনী ও সম্পদশালী ব্যক্তি হবে।

৩/শিশু কলম ধরলে  এটার অর্থ হয় সে একজন বিদ্ধান ও জ্ঞানী লোক হবে।

৪/সে খাবার হাতে নিলে এর মানে হয় সে দয়ালু ও শান্ত প্রকৃতির লোক হবে।

৫/মাটি স্পর্শ করিলে জমিনদার বা সম্পত্তির মালিক হবে।

অন্নপ্রাশণ অনুষ্ঠানে শিশুর জন্য কোন ধরনের খাবার দেওয়া হয়?

অন্নপ্রাশণ অনুষ্ঠানের দিন শিশুকে বিভিন্ন রকমারি খাবার সাজিয়ে  দেওয়া হয় সে গুলি আবার শিশুর জন্য কোমল ও মুখে দেওয়ার মত খাদ্যের তালিকা রাখা হয়। এইগুলির মধ্যে আবার বিভিন্ন রাজ্যের খাবার পৃথক ভাবে থাকে। এখানে ভারতীয় বাঙ্গালী সংস্কৃতির কিছু খাদ্য তালিকা দেওয়া হল-

১/ বিরিয়ানী/ ভাত/পোলাও ইত্যাদি।

২/ মাছ-মাংসের অনেক রকম তরি-তরকা।

৩/ পুরি/ভাজা/ডাল/সব্জি।

৪/ পায়েস/ ক্ষীর/ সন্দেশ/ মিষ্টি/ মিঠাই।

এছাড়া নিরামিষ ভুজি পরিবারে এই গুলির মধ্য থেকে মাছমাংস ব্যতীত বাকীসব তালিকাভুক্ত থাকে।

অন্নপ্রাশণে ক্ষীর / পায়েস দেওয়ার প্রথা বেশীরভাগ দেখা যায়।

শিশুর জন্য ক্ষীর বা পায়েস খুব ভালো খাবার। বিশেষ করে ভাত মিষ্টি যুক্ত করে খাবার প্রস্তুত করে মিষ্টান্ন প্রস্তুত করা হয় যা শিশুর জন্য নরম খাবার হিসাবে গ্রহণ করা হয়।

দেশ বিদেশেও একই ভাবে ভারী খাবের তালিকায় এই মিষ্টি জাতীয় খাবারকে অনেক প্রাধান্য দেওয়া হয়। পৌরাণিক প্রথা অনুযায়ী এই ক্ষীর বা পায়েস খাবারকে রূপোর বা তাম্র-খাসার শুদ্ধ পাত্রে রেখে খাওয়ানো হয়।

অন্নপ্রাশণ অনুষ্ঠানে খাবার নিরাপদ রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন।

সন্তানকে মূখে প্রথম শক্ত/ভারী খাবার দেওয়ার সাথে সাথে কতগুলি সাবধানতা থাকা অতি আবশ্যক। এ বিষয়ে গুরুজনেরা প্রায়ই পরামর্শ দিয়ে থাকেন সেগুলি হল নিম্নরূপ-

১/ আপনার শিশুকে শুধু ক্ষীর/পায়েস খাওয়াবেন সেটা যে আবশ্যক তা নয়।  আপনার পছন্দ মত সুস্বাধু আরও অনেক স্বাস্থ্যসম্মত খাবার দিতে পারেন।

২/ প্রথম দিনের অনুষ্ঠানটিতে শিশুকে গুরুজনদের আজ্ঞানুযায়ী খাবার প্রদান করা উচিৎ যাহাতে শিশুর খাবারে সংক্রমণ না হয়।

৩/ অন্নপ্রাশনের পুর্ব্বে শিশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো জরুরী। অসুস্থ অবস্থায় শিশুর কোনরূপ অনুষ্ঠান করা উচিৎ নয়।

সবশেষে আমরা বলি যে, শিশুর আনন্দের অনুষ্ঠানের দিন তার সংস্কার প্রক্রিয়াটি স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ রাখা সকলের দায়-দায়ীত্ব। করোনা কালে এই সকল অনুষ্ঠান তো প্রায়ই নিষিদ্ধ ছিল।

অবশেষে করোনা সংক্রমণ হ্রাস হওয়ার পর পুনরায় এইসব অনুষ্ঠানগুলি করা যাচ্ছে। তবুও আমরা বুলিনি এই মহামারীর নিয়ম কানুন। এখন প্রায় লোক এই ক্ষেত্রে অনেক সাবধান ও সতর্ক।

আর এই সকল কয়েকটি সতর্ক বার্তা মেনে নেওয়ার জন্য আমাদের সকলের জন্য অনুষ্ঠান সমূহ সফল ও আনন্দদায়ক হয়ে উঠবে। তাছাড়া এই অনুষ্ঠানটি করার জন্য আরও আমাদের নিম্নলিখিত কিছু বিধি মেনে চলা উচিৎ।

সুরক্ষিত ভাবে অনুষ্ঠান করার নিয়ম সমুহঃ

১/ হাত পরিষ্কার করে (হেন্ড সেনীটাইজ)  শিশুকে খাওয়ানো উচিত নাহয় বাচ্চা খুব সহজেই সংক্রমণের হতে পারে।

২/ অন্নপ্রাশন সংস্কার শুরুর আগেই আপনার শিশুকে বিশ্রাম বা ঘুমিয়ে পড়তে দিন যাহাতে শিশুটি অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় অস্বস্তি বোধ না করতে পারে।

৩/ শিশুর অন্নপ্রাশন প্রক্রিয়াটি হালকা ও মৃদু বাতাস বয়ে যাওয়া জায়গা বেছে নিন যাতে শিশু আরাম নিতে পারে। কোন বন্ধ ঘরে অধিক লোক সমাগমে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যেতে পারে।

৪/ সামাজিক দুরত্ব পালন করা আবশ্যক। যাহাতে অনুষ্ঠানের পরিবেশ আরও মধুরময় হয়।

৫/ আপনার শিশুকে কোমল ও সুতি বস্ত্র পরিদান করাবেন। কোনও ধরনের গয়না ও অলঙ্কান না লাগানো ভালো না হলে শিশুকে বেশী সাজাতে গিয়ে শরীরে অস্বস্তি হতে পারে। আর শীতের সিজন হলে সোয়েটার  লাগানো যেতে পারে।

৬/ খাওয়া-দাওয়ার সময় শিশুর মুখ থেকে খাবার পড়ে গেলে জামা-কাপড় বা শরীর ময়লা হয়ে যায় তাহলে কাছে  একটা টায়েল বা কাপড় রাখুন যেটা সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার করা যায়।

৭/ বিশেষ যজ্ঞ অনুষ্ঠানে প্রদীপ/বাতি/ধূপবাতি ও আগুনের কাছ থেকে শিশুকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন যাহাতে কোন বিঘ্ন গঠতে না পারে।

৮/ কছি কাছা বাচ্ছাদের বসানোর জন্য বিশেষ জায়গার ব্যবস্থা করে নেওয়া, যাহাতে বাচ্চারা কোন খেলাধূলার আমেজে ব্যস্ত থাকতে পারে ও বাহিরে না যেতে পারে।

৯/ নিমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য অনুষ্ঠানে গৃহে প্রবেশ করার সময় সেনিটাইজ করে প্রবেশ করা বাঞ্চনীয়।

১০/ এই অনুষ্ঠানটিকে চির স্মরণীয় করে রাখার জন্য ফটোগ্রাফারকে আনতে পারেন অথবা শিশুর এই অনুষ্ঠানের দিনটিকে ক্যামেরা বন্দি করে রাখতে পারেন।

অন্নপ্রাশন প্রক্রিয়াটি যাহাতে সুন্দর ও সু-সম্পন্ন হয় ও আত্মীয়-স্বজনের আশীর্বাদে শিশুর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং এই অনুষ্ঠান চির স্মরণীয় হয় এটাই সকল অভিভাবকই প্রত্যাশা করেন।

আরও পড়ুন- বিয়ের কার্ড তৈরির ড্রাফট ও নমুনা।

জিমেইল একাউন্টকে সুরক্ষিত রাখার উপায়।


Leave a Comment