আলুর খোসার গুণ । আলুর খোসার মধ্যে অসাধারাণ গুণ লুকিয়ে আছে।


আলুর খোসার গুণ অনেক। সব্জির রাজা হিসাবে আলুকে প্রথম স্থান দেওয়া হয়। আলুর মধ্যে উপকারিতা ও গুণে ভরপুর।

আলুর খোসাতে যে পুষ্টি গুণ ও উপকারিতা রয়েছে তার শেষ নেই। আলুর মধ্যে যেমন প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে তেমনি আলুর খোসাতেও প্রচুর পরিমাণে খাদ্য গুণ রয়েছে।


আলু প্রত্যেক দিন খাওয়া-দাওয়ায় ব্যবহার হয়। আলু নিত্যদিন রান্নার সঙ্গী হি্সাবে পরিচিত। প্রায় সকলের বাড়িতে আলু খাওয়া হয়। কিন্তু আলু কাটার সময় প্রায়ই খোসা গুলো ফেলে দেওয়া হয়।

অনেকেই জানেন না যে, আলুর খোসার মধ্যে কি পুষ্টি গুণ লুকিয়ে আছে। আলুর খোসার উপকারিতা অনেক।

আলুর খোসায় কি কি ভিটামিন ও পুষ্টিগুণ আছে তা জানতে পারলে খোসা গুলি ফেলে দেবেন না। যারা জানেন তারা নিশ্চয়ই এর লাভ পেয়েছেন।

আসুন আমরা যেনে নেই আলুর খোসার মধ্যে কি কি পুষ্টিগুণ আছে।


আলুর খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও মিনারাল উপাদান রয়েছে যা শরীরের রাসায়নিক প্রক্রিয়াকে উন্নত করে তুলে।

একটি মধ্যম মাপের আলু থেকে প্রায় ৬০০ গ্রাম পটাশিয়াম পাওয়া যায়।

পটাশিয়াম মানুসের দেহের মাংস পেশী ও স্নায়ু তন্ত্রকে সতেজ করে রাখে। শরীরের মধ্যে থাকা ইলেক্ট্রলাইট এবং অম্ল ক্ষারের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করিতে সাহায্য করে।

তার সঙ্গে উচ্চ ব্লাড প্রেশারের ঝুকি হ্রাস করে। যাহা শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।


মানুষের শরীরে প্রতিদিন অত্যন্ত ১৬ মিলি গ্রাম করে নিয়াসিন উপাদানের প্রয়োজন হয়। নিয়াসিন ভিটামিন b3 এর আরেকটি নাম যা শরীরের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে সাহায্য করে।

শরীরে নিয়াসিনের পরিমাণ যোগান দিতে আলুর খোসার ভূমিকা অপরিসীম।


আলু খোসার থেকে যেভাবে প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল ও শর্করা মেলে তেমনি আলুর খোসা থেকে একই উপাদান পাওয়া যায়।

তাই আলুর খোসা সহ খেলে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল ও শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট বেশী গুণ পাওয়া যায়। যা শরীরকে আরও শক্তিশালী ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলে।

আলুর খোসা থেকে আরও গুরুত্বপূর্ণ উপাদান পাওয়া যায়। শরীরে রক্ত গঠনে আয়রন খুব দরকারী উপাদান।

আয়রন রক্তের কণিকাগুলোকে সতেজ রাখতে সাহায্য করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সেই আয়রন পাওয়া যায় আলুর খোসা থেকে। প্রতিদিন ৪-৫টি আলুর খোসা থেকে প্রায় ৪ মিলিগ্রাম আয়রন বা লোহা পাওয়া যায়।

যাদের হজম শক্তি খুবই দুর্বল তারা আলুর খোসা খেয়ে হজমশক্তি দ্রুত বাড়াতে পারেন। আলুর খোসায় প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকে যা হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। আলুর খোসা গুরুপাক খাওয়ারকে অতি সহজে হজম করতে সাহায্য করে।

আলুর খোসা রোগ প্রতিরোধক


আলুর খোসার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় হজম শক্তি বৃদ্ধির সাথে ডাইবেটিস রোগীদের উপকার হয়।

তবে ডাইবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে আলু মানা করা আছে কিন্তু যদি আলুর খোসা সমেত সিদ্ধ করে জল শুকিয়ে রান্না করে খাওয়া যায় তাহলে খুব একটা ক্ষতি হয় না।

আলুর খোসা দিয়ে বিভিন্ন রকমের রেসিপি বানানো হয়।

এছাড়া যাদের শরীর রোগা পাতলা তাহারা নিয়মিত খোসা সহ আলু খেলে শরীর মজবুত ও স্বাস্থ্যবান হয়।

যারা বডি বিউল্ডিং এর জন্য নিয়মিত ব্যায়াম কৌশল করে থাকেন তাদের ও খাদ্য তালিকায় আলু অন্যতম আহার হিসাবে নেওয়া হয়।

যাহা শরীরকে বলশালী ও পেশীর সুন্দর্য বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

More pages


Leave a Comment